শিরোনামঃ
চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের এমপি প্রার্থীকে প্রাণনাশের হুমকি কাস্টমসের দুই সিপাইয়ের বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতির অভিযোগ, দুদকে আবেদন রকিবুল হাসান রনি ও তার পরিবারের ভয়ঙ্কর প্রতারণার জাল ক্রীড়া পরিদপ্তরে ভয়াবহ লুটপাট মায়ের হাতে ৬ মাসের কন্যা শিশু খুন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা হরিলুট ঢাকার সব বাস চলবে একক ব্যবস্থায়: প্রেস উইং হত্যাচেষ্টা মামলায় ডাকসু ভিপি প্রার্থী জালাল গ্রেপ্তার প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের শাহবাগ অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ চট্টগ্রামে চেক প্রতারণার অভিযোগে সাজিদা ট্রেডিংয়ের প্রোপাইটর মোঃ লিয়াকত হোসেন খোকনের বিরুদ্ধে মামলা

আগামী মাসে ভারত প্রথম উপজাতি নারী রাষ্ট্রপতি পেতে যাচ্ছে

#
news image

ভারতের ঝাড়খন্ড রাজ্যের সাবেক গভর্নর দ্রুপদী মুর্মু (৬৪) প্রজাতন্ত্রের প্রথম উপজাতি নারী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে পারেন। ক্ষমতাসীন ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালাইয়েন্স (এনডিএ) ১৮ জুলাই আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তাকে মনোনয়ন দিয়েছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে দলের পার্লামেন্টারি বোর্ডে বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশটির রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)’র নেতৃত্বাধীন এনডিএ এই নারী নেত্রীকে মনোনীত করেছে।
টিএমসি ও এনসিপিসহ ১৭টি বিরোধী দল তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) নেতা ও সাবেক বিজেপি নেতা যশবন্ত সিনহাকে (৮৪) আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে মনোনিত করার কয়েক ঘন্টা পর ক্ষমতাসীন জোটের এই ঘোষণাটি এলো।
গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, মুর্মুরের নির্বাচিত হওয়া প্রায় নিশ্চিত। কারণ, ক্ষমতাসীন এনডিএর পক্ষে অধিকাংশ ভোট রয়েছে।
উপজাতীয় নেত্রী মুর্মু ২০১৫ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ঝাড়খন্ডের গভর্নর ছিলেন। নির্বাচিত হলে, তিনি প্রথম উপজাতি নারী হিসেবে শীর্ষ সাংবিধানিক পদে অধিষ্ঠিত হবে।
এনডিএ’র রাষ্ট্রপতি প্রার্থী মনোনিত হওয়ার পরপরই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘মুর্মু সমাজ সেবায় তার সারাটা জীবন উৎসর্গ করেছেন। আমি দৃঢ়বিশ্বাসী যে- তিনি একজন মহান রাষ্ট্রপতি হবেন।’
তার নাম ঘোষণা করার সময় বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা গণমাধ্যমকে বলেন, ২০ জনের মধ্য থেকে দৌপদী মুর্মুকে বেছে নেয়া হয়েছে। তাকে বাছাই করার আগে সভায় বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়।
তিনি আরো বলেন, ‘আমরা পূর্বাঞ্চল থেকে একজনকে মনোনয়ন দেয়ার সিদ্ধান্ত নেই এবং আজ পর্যন্ত উপজাতি সম্প্রদায় থেকে কোন নারীকে এই পদের জন্য বেছে নেয়া হয়নি। তাই, আমরা দ্রুপদী মুর্মুকে মনোনিত করেছি।’
৬৪ বছর বয়সী মুর্মুর বাড়ি উড়িষ্যায়। তিনি ঝাড়খন্ডের প্রথম নারী গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৫৮ সালে সাঁওতাল উপজাতি পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। প্রতিকূলতার সাথে লড়াই করে তিনি তার শিক্ষাজীবন সমাপ্ত করেন এবং শ্রী অরোবিন্দ শিক্ষা কেন্দ্রে একজন শিক্ষিকা হিসেবে তার পেশাগত জীবন শুরু করেন। তিনি অবৈতনিকভাবে সেই চাকরি করেন।

প্রভাতী খবর ডেস্ক

২২ জুন, ২০২২,  8:56 PM

news image

ভারতের ঝাড়খন্ড রাজ্যের সাবেক গভর্নর দ্রুপদী মুর্মু (৬৪) প্রজাতন্ত্রের প্রথম উপজাতি নারী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে পারেন। ক্ষমতাসীন ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালাইয়েন্স (এনডিএ) ১৮ জুলাই আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তাকে মনোনয়ন দিয়েছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে দলের পার্লামেন্টারি বোর্ডে বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশটির রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)’র নেতৃত্বাধীন এনডিএ এই নারী নেত্রীকে মনোনীত করেছে।
টিএমসি ও এনসিপিসহ ১৭টি বিরোধী দল তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) নেতা ও সাবেক বিজেপি নেতা যশবন্ত সিনহাকে (৮৪) আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে মনোনিত করার কয়েক ঘন্টা পর ক্ষমতাসীন জোটের এই ঘোষণাটি এলো।
গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, মুর্মুরের নির্বাচিত হওয়া প্রায় নিশ্চিত। কারণ, ক্ষমতাসীন এনডিএর পক্ষে অধিকাংশ ভোট রয়েছে।
উপজাতীয় নেত্রী মুর্মু ২০১৫ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ঝাড়খন্ডের গভর্নর ছিলেন। নির্বাচিত হলে, তিনি প্রথম উপজাতি নারী হিসেবে শীর্ষ সাংবিধানিক পদে অধিষ্ঠিত হবে।
এনডিএ’র রাষ্ট্রপতি প্রার্থী মনোনিত হওয়ার পরপরই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘মুর্মু সমাজ সেবায় তার সারাটা জীবন উৎসর্গ করেছেন। আমি দৃঢ়বিশ্বাসী যে- তিনি একজন মহান রাষ্ট্রপতি হবেন।’
তার নাম ঘোষণা করার সময় বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা গণমাধ্যমকে বলেন, ২০ জনের মধ্য থেকে দৌপদী মুর্মুকে বেছে নেয়া হয়েছে। তাকে বাছাই করার আগে সভায় বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়।
তিনি আরো বলেন, ‘আমরা পূর্বাঞ্চল থেকে একজনকে মনোনয়ন দেয়ার সিদ্ধান্ত নেই এবং আজ পর্যন্ত উপজাতি সম্প্রদায় থেকে কোন নারীকে এই পদের জন্য বেছে নেয়া হয়নি। তাই, আমরা দ্রুপদী মুর্মুকে মনোনিত করেছি।’
৬৪ বছর বয়সী মুর্মুর বাড়ি উড়িষ্যায়। তিনি ঝাড়খন্ডের প্রথম নারী গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৫৮ সালে সাঁওতাল উপজাতি পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। প্রতিকূলতার সাথে লড়াই করে তিনি তার শিক্ষাজীবন সমাপ্ত করেন এবং শ্রী অরোবিন্দ শিক্ষা কেন্দ্রে একজন শিক্ষিকা হিসেবে তার পেশাগত জীবন শুরু করেন। তিনি অবৈতনিকভাবে সেই চাকরি করেন।