শিরোনামঃ
চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের এমপি প্রার্থীকে প্রাণনাশের হুমকি কাস্টমসের দুই সিপাইয়ের বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতির অভিযোগ, দুদকে আবেদন রকিবুল হাসান রনি ও তার পরিবারের ভয়ঙ্কর প্রতারণার জাল ক্রীড়া পরিদপ্তরে ভয়াবহ লুটপাট মায়ের হাতে ৬ মাসের কন্যা শিশু খুন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা হরিলুট ঢাকার সব বাস চলবে একক ব্যবস্থায়: প্রেস উইং হত্যাচেষ্টা মামলায় ডাকসু ভিপি প্রার্থী জালাল গ্রেপ্তার প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের শাহবাগ অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ চট্টগ্রামে চেক প্রতারণার অভিযোগে সাজিদা ট্রেডিংয়ের প্রোপাইটর মোঃ লিয়াকত হোসেন খোকনের বিরুদ্ধে মামলা

ডিএমপি’র নতুন কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক

#
news image

পুলিশ স্টাফ কলেজের রেক্টর (অতিরিক্ত আইজিপি) খন্দকার গোলাম ফারুককে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তিনি বর্তমান কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলামের স্থলাভিষিক্ত হবেন। বর্তমান কমিশনার আগামি ৩০ অক্টোবরে অবসরে যাবেন। আজ রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন জননিরাপত্তা বিভা উপসচিব মো. হারুন-অর-রশীদ।

খন্দকার গোলাম ফারুক ১৯৬৪ সালের ১লা অক্টোবর টাঙ্গাইল জেলার ভূঞাপুর থানার ঘাটানদি গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। তার পিতা মৃত খন্দকার হায়দার আলী ও মাতা মোসাম্মৎ ফাতেমা বেগম। তিনি ১৯৯১ সালে ২০ জানুয়ারি ১২ তম বিসিএস এর মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশে কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি সহকারি পুলিশ সুপার হিসেবে প্রথমে বগুড়ার ৪-এপিবিএন, পরে সিএমপি চট্টগ্রাম এবং খাগড়াছড়ি জেলায় দায়িত্ব পালন করেন। এরপর তিনি খুলনা ও সাতক্ষীরা জেলায় অতিরিক্ত এসপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পুলিশ সুপার হিসেবে পদোন্নতি পাওয়ার পর তার প্রথম পোস্টিং হয় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের এআইজি কনফিডেন্সিয়াল শাখায়। নিষ্ঠা, বুদ্ধিমত্তা এবং কঠোর পরিশ্রমের কারণে খন্দকার গোলাম ফারুক ঠাকুরগাঁও, কিশোরগঞ্জ, ঝালকাঠি, জামালপুর এবং ময়মনসিংহ জেলায় পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে তিনি ডিএমপি ও ঢাকা রেঞ্জ পুলিশে কাজ করেছেন। এরপর ডিএমপিতে অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) হিসেবে কাজ করেন। তিনি রংপুর রেঞ্জ পুলিশ ও চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমী, সারদা, রাজশাহীর অধ্যক্ষ হিসেবে নিযুক্ত হন। সর্বশেষ পুলিশ স্টাফ কলেজের রেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

জনগণের প্রতি অসাধারণ এবং অনুকরণীয় সেবার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ২০০৬ সালে এবং ২০১৮ সালে দু’বার বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল (বিপিএম-সেবা) অর্জন করেন। ২০১৫ সালে রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিম-সেবা) লাভ করেন। তাকে ২০১৯ সালে আইজিপি গুড সার্ভিস ব্যাজও প্রদান করা হয়। তিনি ২০১৪ সালে ‘ইন্টারপোল এবং ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন ইন্টারন্যাশনাল ল এনফোর্সমেন্ট ক্রিটিক্যাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার সিম্পোজিয়াম’ এবং নেপালে অনুষ্ঠিত একটি বিশেষ প্রশিক্ষণসহ দেশে-বিদেশে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কোর্স সম্পন্ন করেন। তিনি দক্ষিণ কোরিয়া, চীন, থাইল্যান্ড, তুরস্ক এবং মার্কিন যুক্তরাস্ট্রসহ অনেক দেশ সফর করেছেন। তিনি ১৯৯৭ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত অ্যাঙ্গোলায় জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালন করেন। খন্দকার গোলাম ফারুক বাংলাদেশ পুলিশের সবচেয়ে আইকনিক সিনিয়র অফিসারদের একজন এবং অপরাধ ও সাংগঠনিক ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে তার অপরিসীম অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি ঢাকা শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি (কৃষি) বিষয়ে অনার্স এবং এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিন কন্যা সন্তানের গর্বিত পিতা তিনি।

অনলাইন ডেস্ক

২৩ অক্টোবর, ২০২২,  10:31 PM

news image

পুলিশ স্টাফ কলেজের রেক্টর (অতিরিক্ত আইজিপি) খন্দকার গোলাম ফারুককে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তিনি বর্তমান কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলামের স্থলাভিষিক্ত হবেন। বর্তমান কমিশনার আগামি ৩০ অক্টোবরে অবসরে যাবেন। আজ রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন জননিরাপত্তা বিভা উপসচিব মো. হারুন-অর-রশীদ।

খন্দকার গোলাম ফারুক ১৯৬৪ সালের ১লা অক্টোবর টাঙ্গাইল জেলার ভূঞাপুর থানার ঘাটানদি গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। তার পিতা মৃত খন্দকার হায়দার আলী ও মাতা মোসাম্মৎ ফাতেমা বেগম। তিনি ১৯৯১ সালে ২০ জানুয়ারি ১২ তম বিসিএস এর মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশে কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি সহকারি পুলিশ সুপার হিসেবে প্রথমে বগুড়ার ৪-এপিবিএন, পরে সিএমপি চট্টগ্রাম এবং খাগড়াছড়ি জেলায় দায়িত্ব পালন করেন। এরপর তিনি খুলনা ও সাতক্ষীরা জেলায় অতিরিক্ত এসপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পুলিশ সুপার হিসেবে পদোন্নতি পাওয়ার পর তার প্রথম পোস্টিং হয় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের এআইজি কনফিডেন্সিয়াল শাখায়। নিষ্ঠা, বুদ্ধিমত্তা এবং কঠোর পরিশ্রমের কারণে খন্দকার গোলাম ফারুক ঠাকুরগাঁও, কিশোরগঞ্জ, ঝালকাঠি, জামালপুর এবং ময়মনসিংহ জেলায় পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে তিনি ডিএমপি ও ঢাকা রেঞ্জ পুলিশে কাজ করেছেন। এরপর ডিএমপিতে অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) হিসেবে কাজ করেন। তিনি রংপুর রেঞ্জ পুলিশ ও চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমী, সারদা, রাজশাহীর অধ্যক্ষ হিসেবে নিযুক্ত হন। সর্বশেষ পুলিশ স্টাফ কলেজের রেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

জনগণের প্রতি অসাধারণ এবং অনুকরণীয় সেবার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ২০০৬ সালে এবং ২০১৮ সালে দু’বার বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল (বিপিএম-সেবা) অর্জন করেন। ২০১৫ সালে রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিম-সেবা) লাভ করেন। তাকে ২০১৯ সালে আইজিপি গুড সার্ভিস ব্যাজও প্রদান করা হয়। তিনি ২০১৪ সালে ‘ইন্টারপোল এবং ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন ইন্টারন্যাশনাল ল এনফোর্সমেন্ট ক্রিটিক্যাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার সিম্পোজিয়াম’ এবং নেপালে অনুষ্ঠিত একটি বিশেষ প্রশিক্ষণসহ দেশে-বিদেশে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কোর্স সম্পন্ন করেন। তিনি দক্ষিণ কোরিয়া, চীন, থাইল্যান্ড, তুরস্ক এবং মার্কিন যুক্তরাস্ট্রসহ অনেক দেশ সফর করেছেন। তিনি ১৯৯৭ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত অ্যাঙ্গোলায় জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালন করেন। খন্দকার গোলাম ফারুক বাংলাদেশ পুলিশের সবচেয়ে আইকনিক সিনিয়র অফিসারদের একজন এবং অপরাধ ও সাংগঠনিক ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে তার অপরিসীম অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি ঢাকা শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি (কৃষি) বিষয়ে অনার্স এবং এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিন কন্যা সন্তানের গর্বিত পিতা তিনি।