শিরোনামঃ
চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের এমপি প্রার্থীকে প্রাণনাশের হুমকি কাস্টমসের দুই সিপাইয়ের বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতির অভিযোগ, দুদকে আবেদন রকিবুল হাসান রনি ও তার পরিবারের ভয়ঙ্কর প্রতারণার জাল ক্রীড়া পরিদপ্তরে ভয়াবহ লুটপাট মায়ের হাতে ৬ মাসের কন্যা শিশু খুন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা হরিলুট ঢাকার সব বাস চলবে একক ব্যবস্থায়: প্রেস উইং হত্যাচেষ্টা মামলায় ডাকসু ভিপি প্রার্থী জালাল গ্রেপ্তার প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের শাহবাগ অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ চট্টগ্রামে চেক প্রতারণার অভিযোগে সাজিদা ট্রেডিংয়ের প্রোপাইটর মোঃ লিয়াকত হোসেন খোকনের বিরুদ্ধে মামলা

পশ্চিমবঙ্গে ৫০ হাজার টাকা দিলেই মেলে ভোটার কার্ড

#
news image

বাংলাদেশ সীমান্ত বরাবর শুধু নয়, এই কলকাতা শহরেই আছে নকল ভোটার, প্যান, আধার কার্ড কিংবা পাসপোর্টের জালিয়াত চক্র। ৫০ হাজার টাকা ব্যায় করলেই মেলে ভুয়া ভোটার, প্যান কার্ড। এক লক্ষ টাকায় আধার কার্ড। আর পাসপোর্টের জন্য দিতে হয় দেড় লক্ষ টাকা। চক্র বিশেষে দামের একটু হেরফের হলেও এটাই মোটামুটি স্ট্যান্ডার্ড রেট। 
বাংলাদেশের ব্যাংক ফ্রড পি কে হালদার এবং তার সংগীরা এই ভাবেই নগদ কড়ি গুনে জাল পরিচয়পত্র সংগ্রহ করেছিল। ই ডি তাদের কাছ থেকে হদিশ পেয়ে বনগাঁ ও হাওড়ায় অভিযান চালাতে বলেছে পুলিশকে। বনগাঁ এবং হাওড়া অবশ্য কুখ্যাত এই ব্যাপারে। 
কলকাতা থেকে ৭৮ কিলোমিটার দূরে, বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে বনগাঁর পাইকপাড়া থেকে কিছুদিন আগে অরূপ বিশ্বাস নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। কম্পিউটার, স্ক্যান করার সরঞ্জাম, প্রিন্টার, ফটোকপিয়ার নিয়ে জাল পরিচয়পত্রের কারবার খুলে বসেছিল অরূপ। বনগাঁ মিউনিসিপালিটির একটি নকল ট্রেড লাইসেন্সও পাওয়া যায় তাঁর কাছ থেকে। মিডলম্যানদের মাধ্যমে ভোক্তা আসতো অরূপের কাছে। এছাড়া হাওড়া থেকে গ্রেপ্তার হয় মৃন্ময় দত্ত, মোহাম্মদ ফারুখ ও মোহাম্মদ ইফতেকার বলে তিনজন। এরাও জাল পরিচয় পত্রের ব্যবসা ফেঁদে বসেছিল। 
কদিন আগে উত্তরপাড়ার একটি ডাস্টবিনের মধ্য থেকে উদ্ধার হয় অসংখ্য জাল পরিচয়পত্র। রাজু গুপ্ত ও গোপাল বিশ্বাস নামের দুজন ওয়েবসাইট খুললেই ডিভিডি প্লেয়ার পাওয়া যাবে- এই বিজ্ঞাপন দিয়ে অসংখ্য মানুষের কাছ থেকে ৪৪০ টাকা করে তুলছে- এর অনুসন্ধান করতে গিয়ে পুলিশ কেঁচো খুঁড়তে সাপের সন্ধান পায়। জাল পরিচয় পত্র চক্র উদ্ঘাটিত হয়। তবে, এ ছিল টিপ অফ দ্য আইসবার্গ। এখনও চক্র সক্রিয়। তার প্রমান পি কে হালদাররা। 

প্রভাতী খবর ডেস্ক

১৯ মে, ২০২২,  9:00 PM

news image

বাংলাদেশ সীমান্ত বরাবর শুধু নয়, এই কলকাতা শহরেই আছে নকল ভোটার, প্যান, আধার কার্ড কিংবা পাসপোর্টের জালিয়াত চক্র। ৫০ হাজার টাকা ব্যায় করলেই মেলে ভুয়া ভোটার, প্যান কার্ড। এক লক্ষ টাকায় আধার কার্ড। আর পাসপোর্টের জন্য দিতে হয় দেড় লক্ষ টাকা। চক্র বিশেষে দামের একটু হেরফের হলেও এটাই মোটামুটি স্ট্যান্ডার্ড রেট। 
বাংলাদেশের ব্যাংক ফ্রড পি কে হালদার এবং তার সংগীরা এই ভাবেই নগদ কড়ি গুনে জাল পরিচয়পত্র সংগ্রহ করেছিল। ই ডি তাদের কাছ থেকে হদিশ পেয়ে বনগাঁ ও হাওড়ায় অভিযান চালাতে বলেছে পুলিশকে। বনগাঁ এবং হাওড়া অবশ্য কুখ্যাত এই ব্যাপারে। 
কলকাতা থেকে ৭৮ কিলোমিটার দূরে, বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে বনগাঁর পাইকপাড়া থেকে কিছুদিন আগে অরূপ বিশ্বাস নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। কম্পিউটার, স্ক্যান করার সরঞ্জাম, প্রিন্টার, ফটোকপিয়ার নিয়ে জাল পরিচয়পত্রের কারবার খুলে বসেছিল অরূপ। বনগাঁ মিউনিসিপালিটির একটি নকল ট্রেড লাইসেন্সও পাওয়া যায় তাঁর কাছ থেকে। মিডলম্যানদের মাধ্যমে ভোক্তা আসতো অরূপের কাছে। এছাড়া হাওড়া থেকে গ্রেপ্তার হয় মৃন্ময় দত্ত, মোহাম্মদ ফারুখ ও মোহাম্মদ ইফতেকার বলে তিনজন। এরাও জাল পরিচয় পত্রের ব্যবসা ফেঁদে বসেছিল। 
কদিন আগে উত্তরপাড়ার একটি ডাস্টবিনের মধ্য থেকে উদ্ধার হয় অসংখ্য জাল পরিচয়পত্র। রাজু গুপ্ত ও গোপাল বিশ্বাস নামের দুজন ওয়েবসাইট খুললেই ডিভিডি প্লেয়ার পাওয়া যাবে- এই বিজ্ঞাপন দিয়ে অসংখ্য মানুষের কাছ থেকে ৪৪০ টাকা করে তুলছে- এর অনুসন্ধান করতে গিয়ে পুলিশ কেঁচো খুঁড়তে সাপের সন্ধান পায়। জাল পরিচয় পত্র চক্র উদ্ঘাটিত হয়। তবে, এ ছিল টিপ অফ দ্য আইসবার্গ। এখনও চক্র সক্রিয়। তার প্রমান পি কে হালদাররা।